Showing posts with label History. Show all posts
Showing posts with label History. Show all posts

Saturday, September 22, 2018

,

নবীনমানুয়া ঈশ্বর চন্দ্র হাই স্কুল এবং প্রতিষ্ঠাতা স্বর্গীয় ঈশ্বর চন্দ্র জানা মহাশয়ের সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য


High School


বিদ্যালয়ের সম্পর্কে অজানা তথ্য :

শহরের কোলাহল থেকে বহু দূরে এক সুন্দর মনোরম গ্রাম‍্য প্রাকৃতিক পরিবেশে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পলাশপাই খালের তীরে নবীন মানুয়া গ্রামে ১৯৪৯ সালে স্থাপিত হয়েছিল অতি ক্ষুদ্র চার শ্রেণী বিশিষ্ট জুনিয়ার হাইস্কুল। জন্মলগ্নে এর কলেবর ছিল অতি ক্ষুদ্র। কিন্তু উদ‍্যম ও প্রাণ প্রাচুর্যে ছিল ভরপুর। ১৯৫৪ সালে দুই শ্রেণী (পঞ্চম ও ষষ্ঠ) বিশিষ্ট জুনিয়ার হাইস্কুল এবং ১৯৬৫ সালে চার শ্রেণী (পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম) বিশিষ্ট জুনিয়ার হাইস্কুলে অনুমোদিত হয়। দীর্ঘ ৩৫ বৎসর পর মাননীয় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিতায় ২০০০ সালের ১লা মে থেকে উচ্চ বিদ্যালয় হিসাবে অনুমোদন পেয়েছে। এরপর নাম বদলে হয় নবীন মানুয়া ঈশ্বরচন্দ্র হাই স্কুল। এই বিদ্যালয় থেকে বহুকৃতী ছাত্র-ছাত্রী নিজেদের জীবন গড়ার পালা শুরু করে পৌঁছে গিয়েছে নিজেদের লক্ষে।


High School


বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা স্বর্গীয় ঈশ্বরচন্দ্র জানা মহাশয়ের সম্পর্কে অজানা তথ্য :

নবীন মানুয়া ঈশ্বরচন্দ্র হাই স্কুল প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠার পেছনে যাঁর দান অনস্বীকার্য‍্য তাঁর সম্পর্কে কিছু কথা সমস্ত পাঠককে জানানোর জন‍্যই এই লেখা। আমাদেরই গ্রাম নিবাসী ছিলেন স্বর্গীয় ঈশ্বরচন্দ্র জানা মহাশয়। যাঁর জন্ম ৫ই আশ্বিন (ইং- ২২শে সেপ্টেম্বর), ১২৯৫ বঙ্গাব্দ এবং মৃত্যু ১৪ই শ্রাবণ ১৩৬৯ বঙ্গাব্দ তারিখে। তিনি এই প্রতিষ্ঠান গঠনের মূল কারিগর। তিনি তাঁর জীবনের সমস্ত সঞ্জয় দান করেন এই মহান প্রয়াস সাফল্য করার উদ্দেশ্যে। তিনি ছিলেন জীবন ধারায় আমাদেরই মত সাধারণ। তাঁর জীবনে চলার পথের সাথী যারা অর্থাৎ স্ত্রী, পুত্র এবং কন‍্যা থাকা সত্ত্বেও তিনি এই পূর্ণকর্ম করার সাহস দেখিয়ে ছিলেন। সারা জীবন কীভাবে চলবে সে চিন্তা না করে তিনি ভেবেছিলেন এই বিদ্যালয়ের কথা। যেখান থেকে শুধু নবীন মানুয়া নয় সীতাপুর এবং নদীর ওপারের পলাশপাই গ্রামেরও শত শত ছাত্র ও ছাত্রীরা পেয়েছিল প্রকৃত পাঠ। বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তৎকালীন শিক্ষানুরাগী ব‍্যক্তিদের অনুরোধে এলাকার শিক্ষা প্রসারে তিনি গ্রামের সমূহ ভূ- সম্পত্তি এমনকি বাস্তুভিটাটিও বিদ্যালয়কে দান করে গেছেন।

Memorial



সীতাপুর আমার গ্রাম টিমের পক্ষ থেকে ওঁনার শিক্ষা প্রসারে র মানসিকতাকে আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাই। ওঁনার স্মৃতির প্রতি আমারা গভীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি। ওঁনার পরিবারবর্গের প্রতি আমারা সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

- সম্পূর্ণ তথ্য বিদ্যালয়ের  ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সালে প্রকাশিত দীপশিখা থেকে নাওয়া হয়েছে।

Sunday, August 12, 2018

,

সীতাপুর মনসামাতার মন্দিরের সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য 


পশ্চিম মেদিনীপুরের  সীতাপুর গ্রামের মন্দির গুলির মধ্যে অন্যতম মন্দির  হল সীতাপুর মনসামাতার মন্দির। মন্দিরটি ২৮শে আশ্বিন ১৪২৩( ইং - ১৫/১০/২০১৬) শনিবার প্রতিষ্ঠিত করা হয়। এই নতুন মন্দিরটির পূর্বে যে মন্দিরটি ছিল তা নতুন রাস্তা তৈরির কারণে ভেঙ্গে দিতে হয়েছিল।

 মনসামতার পূজোকে কেন্দ্র করে গ্রামে উৎসব পালান হয়। শুধু সীতাপুর গ্রাম নয় পাশাপাশি সমস্ত গ্রামের মানুষ এই পূজোর সময় উপস্থিত থাকে। এই পূজো শুরু হয়েছিল ১২৯৬ সালে। মতিলাল দোলই এবং তার সহকর্মীরা এই পূজো প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর পর থেকে সীতাপুর নবীনমানুয়া মিলন সংঘ ও সীতাপুর মনসাপূজো কমিটি এই পূজো পরিচালনা করেন। সীতাপুর নবীনমানুয়া মিলন সংঘের বর্তমান সম্পাদক নিমাই চন্দ্র দাস এবং সভাপতি শীতল চন্দ্র খাঁড়া মহাশয়। এনাদের মতে নতুন মন্দির নির্মাণে খরচ হয়ছে প্রায় ৬০-৭০ লক্ষ টাকা। এই মন্দির নির্মাণে অনেক ভক্তরা সাহায্য করেছেন। গ্রামের মানুষ এবং  সর্নশিল্পিদের সহযোগিতায় ৩ বছরে এই মন্দির সম্পূর্ণতা লাভ করে।

Hindu Temple


আশ্বিন মাসের সংক্রান্তিতে শুরু হয় এই মন্দিরের পূজো। পূজোর শুরুর দিন সকালে ঘাক, বাদ্যযন্ত্র, ছো-নৃত্য ও ঘট মাথায় নিয়ে গ্রাম পরিক্রমা করা হয়। রাত্রিতে নানান বাদ্যযন্ত্র, বাজি ও সাপের খেলা হয়। সাপকে গলায় জরিয়ে ঘট ডুবনো হয়। পরের দিন সকালে ভক্তদের ভিড় হয় পূজোর অঞ্জলী দেওয়ার জন্য। অঞ্জলী দেওয়ার পর অন্ন প্রসাদের ব্যবস্থা থাকে। ৩-৪ দিন ধরে নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পূজোর দিন গুলোতে  মন্দিরের সামনে চলে মেলা। মেলাতে গ্রামের মানুষদের অসম্ভব ভীড় লক্ষ্য করা যায়।
কখনো কখনো বৃষ্টির কারণে এই অনুষ্ঠানের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে হয়। তবুও মানুষ পূজোর দিন গুলো খুব আনন্দের সঙ্গে কাটায়। গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে আত্মীয় স্বজনে ভোড়ে ওঠে।

পূজোর দিন গুলো ছাড়াও ভক্তদের ভিড় হয় নিয়মিত পূজো দেওয়ার জন্য। মন্দিরে নিয়মিত দুপুরে ও সন্ধ্যায় মায়ের পূজো হয়। মাননীয় নিমাই চন্দ্র দাস এই পূজো করেন।




Featured Post

শ্রী শ্রী সর্বজনীন শ্মশানকালী পূজা ও বার্ষিক অনুষ্ঠান ২০১৯ ** নবীনমানুয়া( জোড়া সাঁকো )

শ্রী শ্রী সর্বজনীন শ্মশানকালী পূজা ও বার্ষিক অনুষ্ঠান ২০১৯ পরিচালনায়ঃ নবীমমানুয়া ফাইভ স্টার ক্লাব। স্থাপিতঃ ১৯৯৮ রেজিঃ নং- SL/...