Showing posts with label Video. Show all posts
Showing posts with label Video. Show all posts

Friday, August 17, 2018

,

সীতাপুরে উপস্থিত ছিলেন ভজ  গোবিন্দ সিরিয়ালের নায়িকা মিস ডালি


বাংলা সিরিয়ালের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় সিরিয়াল ভজ গোবিন্দ। ভজ গোবিন্দ সিরিয়ালটি স্টার জলসা চ্যানেলে রাত ৯:৩০ মিনিটে প্রচারিত হয়। স্বস্তিকা দত্ত এই মজাদার সিরিয়ালের নায়িকা  ডালি চৌধুরী রূপে অভিনয় করছেন। এই সিরিয়াল ছাড়াও তিনি অনেক বাংলার চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। তিনি চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন পারব না আমি ছাড়তে তোকে চলচ্চিত্রে বনি সেনগুপ্তের এবং কৌশানী মুখোপাধ্যায় বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যেমে  ২০১৫ সালে। এই চলচ্চিত্রটি বিরাট সাফল‍্য পায় দর্শক মহলে। এছাড়াও তিনি অভিমান, হরিপদ ব্যান্ডওয়ালা ইত‍্যাদি চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন।

Bhajo Gobinda



১লা কার্ত্তিক ১৪২৪(ইং-১৯/১০/২০১৭) বৃহস্পতিবার সীতাপুর নবীন মানুয়া মিলন সংঘ ও সীতাপুর মনসা পূজা কমিটির পরিচালনায় সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী মনসা পূজা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বিচিত্রানুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এই ভজ গোবিন্দ সিরিয়ালের নায়িকা মিস ডালি।
সীতাপুরের অন্যতম পূজা হল মনসামাতার পূজো। পূজো কমিটির পরিচালনায় এর আগে অনেক বড়ো বড়ো অভিনেতা ও অভিনেত্রী এখানে এসেছেন। কিন্তু ঐ দিন সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছিল। তাই মাঠের অধিকাংশ ভিজে গিয়েছিল। বিকেলে পূজো কমিটি আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে অনুষ্ঠান হবে।
এরপর সেই বৃষ্টি, কাদা উপেক্ষা করেই মানুষ জন উপস্থিত হয়েছিলেন। যথারীতি সময়ে শুরু হয়েছিল  অনুষ্ঠান। ডালি আসার পূর্বেই আবার বৃষ্টি হয়। এবং এই বৃষ্টির জন্য অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। অনেক মানুষ ঐ বৃষ্টিতে ভিজে গিয়েছিল। বৃষ্টিতে ভিজে মানুষ জন অপেক্ষা করছিল ডালির। তারপর ঐ বৃষ্টিতে উপস্থিত হয়েছিলেন ডালি। তিনি নিজের ও সিরিয়ালের সম্পর্কে অনেক কথা বলেন। এরপর একটি গান ও দুটো ড্যান্স করে ঐ বৃষ্টির মধ্যে সকলকে আনন্দিত করেছিলেন।
এইভাবেই সীতাপুরে প্রথম ডালি এসেছিলেন। এরপর আবার মহাপ্রভু মিলন সংঘের পরিচালনায় শিবদূর্গা পূজো উপলক্ষে ৫ই ফাল্গুন ১৪২৪ ( ইং- ১৮-০২-২০১৮) রবিবার দ্বিতীয়বার ডালি সীতাপুরে এসেছিলেন।








Program Organized By: Sitapur Milan Sangha
Camera: C Maity
YouTube Channel Partner: Sitapur Amar Gram
Place: Sitapur, Paschim Medinipur,West  Bengal, India
,

২০১৭ সালে ঘাটাল মহকুমার তিনটি আকর্ষণীয় দূর্গাপূজো 



ঘাটল মহকুমায় বড়ো বাজেটের অনেক দূর্গাপূজা হয়ে থাকে অনেক ক্লাবে এবং এই পূজো গুলো দেখার জন্য মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ২০১৭ সালে পূজোর আগে বন্যায় প্লাবিত হয়েছিল মহকুমার অনেক গ্রাম। এই সময় ক্লাব গুলো ঝাঁপিয়ে পড়ে বন্যা কবলিত এলাকায় সাহায্যের জন্য। এই কারণে দূর্গাপূজোতে অনেক ক্লাব পূজোর বাজেট কমিয়ে দিয়েছিল। তবুও মানুষের আস্থা রাখতে কিছু অসাধারণ প্যান্ডেল বানানো হয়েছিল। এই গুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় তিনটি পূজো ছিল ১) পাঁচবেড়িয়া  ২) সোনাখালি  ৩) রাধাকান্তপুর।




১) পাঁচবেড়িয়া

পাঁচবেড়িয়া সানরাইজ ক্লাবের ২০১৭ সালে পূজো প্যান্ডেলর থিম ছিল স্মৃতিজাল। সম্পূর্ণ প্যান্ডেলটি তৈরি করা হয়েছিল হারিয়ে যাওয়া কিছু জিনিস দিয়ে যেগুলো দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করা হত। প্যান্ডেলে ব্যবহার করা জিনিস হল উুল,লন্ঠন, হ্যারিকেন, হাতপাখা ইত্যাদি। অসম্ভব সুন্দর ভাবে সাজিয়ে তুলেছিল এবং ভিড় ছিল লক্ষণীয়।


২) সোনাখালি

পল্লীবাসীবৃন্দের পরিচালনায়  ২০১৭ সালে থিম ছিল মহেঞ্জোদাড়ো সভ্যতা। থার্মোকল দিয়ে তৈরি এই প্যান্ডেল মহেঞ্জোদাড়ো সভ্যতাকে অসম্ভব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছিল। ছোটোদের কাছে এই থিমটি অনেক বেশি আকর্ষণীয় ছিল। এছাড়াও প্রতিমা ছিল থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই সকলকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছিল।


৩) রাধাকান্তপুর

রাধাকান্তপুর দূর্গাপূজা কমিটির পরিচালনায় ২০১৭ সালে তাদের থিম ছিল ছাতার মন্ডপ।  ছাতা ও লাইট দিয়ে অসাধারণ প্যান্ডেল তৈরি করেছিল। রাস্তার ওপারেও ছিল ছাতার কারুকার্য। মন্ডপের  ভিতরে ছিল প্লাস্টিকের  বাটি , গাছের পাতা আরও অনান্য সামগ্রী। এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে মন্ডপের ভিতরের পরিবেশ আরও সুন্দর মনোরম করে তুলেছিল।



এছাড়াও ঘাটাল মহকুমার অন্যান্য পূজো গুলোর থিম ছিল আকর্ষণীয়। কিন্তু এই তিনটি পূজোর থিম মানুষদের বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছিল।
,


আবার আসিব ফিরে-এই বাংলায়, শুভ নববর্ষের এক অসাধারন ভিডিও




সীতাপুর হল পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একটি ছোটো গ্রাম।  সীতাপুরের পাশের গ্রাম হল নবীনমানুয়া। সীতাপুর ও নবীনমানুয়া হল 'দুই ভাই' এর মতো। পর কে আপন করে নেওয়ার দুর্লভ গুণ এখানকার মানুষের সহজাত। এখানকার সবথেকে মাধুর্য্যময় ব্যাপার হল এখানকার প্রানখোলা বাতাস। এখানকার মানুষেরা খুব উৎসব প্রিয় তাই বারো মাসে তেরো পার্বন হয়ে থাকে। গ্রামের চাষীবন্ধুরা খুব সহজসরল ও পরিশ্রমী। এই গ্রাম দুটির প্রাকৃতিক পরিবেশ নিয়ে এই ভিডিওটি বানানো হয়েছে।




ভিডিওতে ব্যবহিত গানটি সারেগামা মিউজিক কোম্পানির এবং গানটি গেয়েছেন লোপামুদ্রা মিত্র।
গানটি জীবনানন্দ দাশ- এর কবিতার ওপর করা হয়েছিল। কবিতাটি নিচে দাওয়া হল।

আবার আসিব ফিরে

জীবনানন্দ দাশ


আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে-এই বাংলায় 
হয়তো মানুষ নয় হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে 
হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে 
কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল-ছায়ায়; 
হয়তো বা হাঁস হব- কিশোরীর-ঘুঙুর রহিবে লাল পায়, 
সারা দিন কেটে যাবে কলমির গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে; 
আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালবেসে 
জলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংরার এ সবুজ করুণ ডাঙায়; 

হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে। 
হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমূলের ডালে। 
হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশু এক উঠানের ঘাসে। 
রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে 
ডিঙ্গা বায়; রাঙ্গা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে 
দেখিবে ধবল বক; আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভীড়ে।


সবুজে ঘেরা সীতাপুর গ্রামের নববর্ষের এই ভিডিও মানুষের প্রিয় হয়ে ওঠেছিল। গ্রামের সোনার ফসল বাড়িতে ওঠার আনন্দ এবং নববর্ষের আনন্দ দুটোই পালান হয় নানান খাওয়া দাওয়ার মধ্য দিয়ে।



Music Credits:
Song: Abar Aashibo Phire
Artist: Lopamudra Mitra
Album: Annaya Haoa - Lopamudra Mitra

Sunday, August 12, 2018

,

সীতাপুর মনসামাতার মন্দিরের সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য 


পশ্চিম মেদিনীপুরের  সীতাপুর গ্রামের মন্দির গুলির মধ্যে অন্যতম মন্দির  হল সীতাপুর মনসামাতার মন্দির। মন্দিরটি ২৮শে আশ্বিন ১৪২৩( ইং - ১৫/১০/২০১৬) শনিবার প্রতিষ্ঠিত করা হয়। এই নতুন মন্দিরটির পূর্বে যে মন্দিরটি ছিল তা নতুন রাস্তা তৈরির কারণে ভেঙ্গে দিতে হয়েছিল।

 মনসামতার পূজোকে কেন্দ্র করে গ্রামে উৎসব পালান হয়। শুধু সীতাপুর গ্রাম নয় পাশাপাশি সমস্ত গ্রামের মানুষ এই পূজোর সময় উপস্থিত থাকে। এই পূজো শুরু হয়েছিল ১২৯৬ সালে। মতিলাল দোলই এবং তার সহকর্মীরা এই পূজো প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর পর থেকে সীতাপুর নবীনমানুয়া মিলন সংঘ ও সীতাপুর মনসাপূজো কমিটি এই পূজো পরিচালনা করেন। সীতাপুর নবীনমানুয়া মিলন সংঘের বর্তমান সম্পাদক নিমাই চন্দ্র দাস এবং সভাপতি শীতল চন্দ্র খাঁড়া মহাশয়। এনাদের মতে নতুন মন্দির নির্মাণে খরচ হয়ছে প্রায় ৬০-৭০ লক্ষ টাকা। এই মন্দির নির্মাণে অনেক ভক্তরা সাহায্য করেছেন। গ্রামের মানুষ এবং  সর্নশিল্পিদের সহযোগিতায় ৩ বছরে এই মন্দির সম্পূর্ণতা লাভ করে।

Hindu Temple


আশ্বিন মাসের সংক্রান্তিতে শুরু হয় এই মন্দিরের পূজো। পূজোর শুরুর দিন সকালে ঘাক, বাদ্যযন্ত্র, ছো-নৃত্য ও ঘট মাথায় নিয়ে গ্রাম পরিক্রমা করা হয়। রাত্রিতে নানান বাদ্যযন্ত্র, বাজি ও সাপের খেলা হয়। সাপকে গলায় জরিয়ে ঘট ডুবনো হয়। পরের দিন সকালে ভক্তদের ভিড় হয় পূজোর অঞ্জলী দেওয়ার জন্য। অঞ্জলী দেওয়ার পর অন্ন প্রসাদের ব্যবস্থা থাকে। ৩-৪ দিন ধরে নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পূজোর দিন গুলোতে  মন্দিরের সামনে চলে মেলা। মেলাতে গ্রামের মানুষদের অসম্ভব ভীড় লক্ষ্য করা যায়।
কখনো কখনো বৃষ্টির কারণে এই অনুষ্ঠানের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে হয়। তবুও মানুষ পূজোর দিন গুলো খুব আনন্দের সঙ্গে কাটায়। গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে আত্মীয় স্বজনে ভোড়ে ওঠে।

পূজোর দিন গুলো ছাড়াও ভক্তদের ভিড় হয় নিয়মিত পূজো দেওয়ার জন্য। মন্দিরে নিয়মিত দুপুরে ও সন্ধ্যায় মায়ের পূজো হয়। মাননীয় নিমাই চন্দ্র দাস এই পূজো করেন।




Featured Post

শ্রী শ্রী সর্বজনীন শ্মশানকালী পূজা ও বার্ষিক অনুষ্ঠান ২০১৯ ** নবীনমানুয়া( জোড়া সাঁকো )

শ্রী শ্রী সর্বজনীন শ্মশানকালী পূজা ও বার্ষিক অনুষ্ঠান ২০১৯ পরিচালনায়ঃ নবীমমানুয়া ফাইভ স্টার ক্লাব। স্থাপিতঃ ১৯৯৮ রেজিঃ নং- SL/...