Showing posts with label Bengali-Culture. Show all posts
Showing posts with label Bengali-Culture. Show all posts

Sunday, March 10, 2019

,

সার্বজনীন শ্রী শ্রী লক্ষী-নারায়ণ পূজো ও দোল উৎসব
পরিচালনায়: ইয়ংস্টার ক্লাব
স্থান: সীতাপুর( দক্ষিন পাড়া), দাসপুর ,পশ্চিম মেদিনীপুর

Laxmi Narayan Pujo


: অনুষ্ঠান সূচী :

৫ই চৈত্র (ইং- ২০শে মার্চ ২০১৯) বুধবার:
সকালে: বাদ্য বাজনা সহকারে প্রতিমা আনয়ণ, মন্ডপ সজ্জা।
বিকেল ৩টায় : পূজা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রতিমার মুখোন্মচন, ঘট ডোবানো, পূজা আরম্ভ ও প্রসাদ বিতরণ।

৬ই চৈত্র (ইং- ২১শে মার্চ ২০১৯) বৃহস্পতিবার:
সকালে: নিত্যপূজা ও দোল উৎসব পালন।
বিকেল: ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
সন্ধ্যায়: সন্ধি পূজা
সন্ধ্যা ৭টায়: সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান


৭ই চৈত্র (ইং- ২২শে মার্চ ২০১৯) শুক্রবার:
সকালে: নিত্যপূজা
বিকেল: ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
সন্ধ্যা ৬টায়: "দিদি No-1" (খেলায় অংশগ্রহণ করার জন্য যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে ৭৯৮০৬৫৭৪৮৬/ ৮১৫৮৮৮৩২৭১)
রাত্রি ৯টায়: "হাইনেস সোশ্যাল ড্যান্সট্রুপ"

৮ই চৈত্র (ইং- ২৩শে মার্চ ২০১৯) শনিবার:
সকালে: নিত্যপূজা।
দুপুরে: কীর্তনগান(পরিবেশনায়: গৌর নিতাই লীলা কীর্তন সম্প্রদায়) কিন্নর কষ্ঠী বেতার ও দূরদর্শন শিল্পী " শ্রীমতি মিঠু দাসী" ও নরনারায়ণ সেবা।
বিকেল: ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
সন্ধ্যায়: সন্ধি পূজা ও পুরস্কার বিতরণী সভা।
রাত্রি ৯টায়: " ড্রিম পার্লস ঝংকার ড্যান্সট্রুপ" (৫টি সুসজ্জিত মঞ্চে ডিজিটাল আলোয়)

৯ই চৈত্র (ইং- ২৪শে মার্চ ২০১৯) রবিবার:
সকালে: পূজাঅন্তে বিসর্জন।
বিকেল ৪টায়: সিঁদুর খেলা, বাদ্য-বাজনা সহকারে দেশভ্রমণ ও প্রতিমা নিরঞ্জন।

Saturday, December 22, 2018

,

বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক উৎসব ২০১৮
পরিচালনায়: "সৃষ্টি"
রেজিষ্ট্রেশন- S/2L/26640
(ত্রয়োদশ তম বর্ষ)
নবীনমানুয়া : : সীতাপুর : : পশ্চিম মেদিনীপুর
স্থান: নবীনমানুয়া ঈশ্বরচন্দ্র হাই স্কুল ময়দান
তারিখ: ২৮শে ডিসেম্বর হইতে ৩১শে ডিসেম্বর


Sristi


* * * * :: অনুষ্ঠান সূচী :: * * * *

 ২৮শে ডিসেম্বর ২০১৮ শুক্রবার: 

সকাল ৭টায়: 'সম্প্রীতি দৌড়'। 

দুপুর ১১টায় : সেমিনার আমন্ত্রণ মূলক বিষয়- " হাতে কলমে বিজ্ঞান"
উপস্থাপনায়- অনুরণন সায়েন্স সোসাইটি কোলকাতা শ্রেয়ম জানা ও শ্রী বিনয় দাস। এবং 
১৫টি বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে হাতে হাতে দূরবীন তৈরীর কর্মশালা। 
প্রশিক্ষক- ড. রমেন্দ্র লাল মুখার্জী, শৈবাল মিত্র ও শান্তনু বিদ্। 
কর্মশালা শেষে ১০টি বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে একটি করে দূরবীন তুলে দেওয়া হবে।

সন্ধ্যা ৫টায় : উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সংবর্ধনা সভা।
উদ্বোধক- প্রফেসর ড. সন্দীপ কুমার চক্রবর্তী- ডিরেক্টর, ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স, কলকাতা। 
এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন জগতের দিকপাল ব্যক্তিবর্গ।

সন্ধ্যা ৫.৩০টায় : অজানা জ্ঞানের সন্ধানে " স্লাইড শো", বিষয় - মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য।
উপস্থাপক- ড. নরেন্দ্র নাথ পাত্র- আই.আই.এস.সি, বেঙ্গালুরু।

সন্ধ্যা ৬টায়: জি বাংলার এ্যাট্রাকসন ড্যান্সট্রুপ সহযোগে নৃত্য ও সঙ্গীতানুষ্ঠান।
পরিবেশনায়- ডায়মন্ড অর্কেষ্ট্রা।
উপস্থিত থাকবেন জি বাংলার জয়ী সিরিয়ালের অভিনেত্রী তোর্ষা।

 ২৯শে ডিসেম্বর ২০১৮ শনিবার: 

সন্ধ্যা ৫টায়: ভালো করে চেয়ে দেখ, দেখতো চিনতে পারো কিনার "স্লাইড শো"।
উপস্থাপক - প্রশান্ত নায়ক - সিনিয়র স্কলার আই.আই.এ, বেঙ্গালুরু।

সন্ধ্যা ৬টায়: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সাংস্কৃতিক দপ্তরের সহযোগীতায় নাটক " বিদ্যাসাগর"।

সন্ধ্যা ৬-১১টা: দূরবীনের সাহায্যে সরাসরি রাতের আকাশ পর্যবেক্ষণ।
পর্যবেক্ষক: বিশ্বজিৎ বসু - সেন্টার ফর ওবজারভেশনাল অ্যাষ্ট্রোনবি, কলকাতা।

সন্ধ্যা ৭টায় : নৃত্যানুষ্ঠান ও গান।
  উপস্থাপনায়- সুর স্বপ্ন মিউজিক্যাল ডান্স ট্রুপ।

০শে ডিসেম্বর ২০১৮ রবিবার : 

সকাল ১০টায়: রক্তদান শিবির।

দুপুর ৪টায় : ক্যুইজ প্রতিযোগিতা।

সন্ধ্যা ৬টায় : "দিদি নং ১ ", উপস্থাপনায় -ক্যুইজ জোন দাসপুর। 


রাত্রি ৮টায়: নৃত্যানুষ্ঠান ও নৃত্যনাট্য " ভানুসিংহের পদাবলী", উপস্থাপনায়- আঙ্গিক।


 ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৮ সোমবার : 

দুপুর ২টায় : জৈব কৃষি সেমিনার ।
উপস্থাপনায় - ড.কাঞ্চন ভৌমিক , ডঃ সুমিত রায় ও সুকেশ মন্ডল।

বিকাল ৪টায়: সমাপ্তি অনুষ্ঠান।

সন্ধ্যা ৫:৩০টায় : সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পরিবেশনায়- নবীনমানুয়া ঈশ্বরচন্দ্র হাই স্কুল।

সন্ধ্যা ৬.৩০ টায়: "স্লাইড শো", বিষয় - প্লাস্টিক দূষণ,
উপস্থাপনায়- সুব্রত বুড়াই - প্রধান শিক্ষক, গোমকপতা গুনধর বিদ্যামন্দির।

সন্ধ্যা ৭.৩০টায় : একক সংঙ্গীত - রিমি মাইতি।

রাত্রি ৮.৩০টায় : সাঁওতালী গান ও সাঁওতালী নৃত্য, রায়বেশে নৃত্য
উপস্থাপনায়- কাননডিহি উত্তরণ।


রাত ১২টায় : উৎসবের সর্বশেষ আকর্ষন মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও আতসবাজী প্রদর্শনীর মাধ্যমে "২০১৯ বর্ষবরণ"।




* * * * :: প্রতিযোগিতার দিনলিপি :: * * * *


 ২৮শে ডিসেম্বর ২০১৮ শুক্রবার: 

সকাল ১০টায় : সম্প্রীতি দৌড় (১২ বৎসরের উর্দ্ধে) কেবল মাত্র পুরুষ বিভাগ।
স্থান- পলাশপাই সিনেমা মোড় হইতে নবীনমানুয়া ঈশ্বরচন্দ্র হাই স্কুল পর্যন্ত।
বিকেল ৩টায় : বসে আঁকো প্রতিযোগিতা।
বিষয় :
  •  'ক-বিভাগ' - যে কোনো প্রাকৃতিক দৃশ্য।
  • 'খ-বিভাগ'- শব্দ দৃশনের ভয়াবহতা।


 ২৯শে ডিসেম্বর ২০১৮ শনিবার: 


সকাল ৯টায় : ছান্দিক আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, (সময় ৫মিনিট)।

  • ক-বিভাগ: বিষয় যে কোনো শিশু উপযোগী কবিতা।
  • খ- বিভাগ : পছন্দসই।

দুপুর ৩টায়: 'পায়ের তালে নৃত্য প্রতিযোগিতা।

  • ক-বিভাগ: যে কোন রুচিশীল নৃত্য।
  • খ-বিভাগ: যে কোন রবীন্দ্র নৃত্য।

০শে ডিসেম্বর ২০১৮ রবিবার : 

সকাল ১০টায় : 'সুরের খেয়ায় সঙ্গীত প্রতিযোগিতা'।
  • ক-বিভাগ: যে কোন রবীন্দ্র সঙ্গীত।
  • খ-বিভাগ: যে কোন নজরুল গীতি।
 ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৮ সোমবার : 

দুপুর ২টায় : এখন কুইজ



নাম জমা দিন এই হয়াটসঅ্যাপ নম্বরে - 8670156244



 নিয়মাবলী : 


  • 'ক'বিভাগ : ১০ বৎসর বয়স পর্যন্ত।
  • 'খ' বিভাগ: ১৬ বৎসর বয়স পর্যন্ত।
  • সম্প্রীতি দৌড়ে প্রতিযোগীদের। বয়স ১২বৎসরের উর্দ্ধে হতে হবে।
  • সমস্ত প্রতিযোগীকে নির্দিষ্ট সময়ের ৩০ মিঃ পূর্বে উপস্থিত থাকতে হবে।
  • ক্যুইজ বিভাগে দুজন করে দল হতে হবে।
  • বয়সের প্রমাণ পত্র সঙ্গে আনতে হবে।
  • বিচারকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।


 খেয়াল রাখবেন :

  • বয়সের প্রমাণ অবশ্যই জমা দিতে হবে‌।
  • আবৃত্তি প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে কবিতার প্রতিলিপি অবশ্যই জমা দিতে হবে।
  • সঙ্গীত প্রতিযোগীকে তাহার বাদক সঙ্গে আনতে হবে।
  • অঙ্কন প্রতিযোগিতায় কেবলমাত্র কাগজ সরবরাহ করা হইবে
  • সম্প্রীতি দৌড়ের ক্ষেত্রে প্রত্যেক প্রতিযোগীকে পলাশপাই সিনেমা মোড় পৌঁছে যেতে হবে।
  • নৃত্য প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীকে তার গানের ক্যাসেট বা মেমরি কার্ড আনতে হবে।



নাম জমা দিন এই হয়াটসঅ্যাপ নম্বরে , স্বপন ভৌমিক- 8670156244


Tuesday, September 25, 2018

,

সীতাপুর ও নবীনমানুয়া গ্রামের বিভিন্ন পূজাসমূহ 


সীতাপুর হল পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একটি ছোটো গ্রাম।  সীতাপুরের পাশের গ্রাম হল নবীনমানুয়া। এখানকার মানুষেরা খুব উৎসব প্রিয় তাই বারো মাসে তেরো পার্বন হয়ে থাকে। আর এই উৎসব গুলোতে নানান ধরনের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। ছোটো বড়ো এই পূজো গুলোকে গ্রামের মানুষ  আনন্দের সঙ্গে পালিত করে। 


All Pujo



 সীতাপুর  নবীনমানুয়া এই দুই গ্রামে যেই পূজোগুলো হয়ে থাকে-

১।  সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী শারদীয়া দুর্গোৎসব :

সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী শারদীয়া দুর্গোৎসব।
পরিচালনায়ঃ সীতাপুর নবীনমানুয়া সার্ব্বোজনীন দূর্গাপূজা কমিটি।
স্থানঃ সীতাপুর ,দাসপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর।


২।  শ্রী শ্রী সার্ব্বজনীন মনসামাতার পূজো :

 ক)  সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী মনসা পূজো।
      পরিঃ সীতাপুর নবীন মানুয়া মিলন সংঘ ও সীতাপুর মনসা পূজা কমিটি।         
      স্থানঃ সীতাপুর মনসাতলা, পশ্চিম মেদিনীপুর।

খ)  সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী মনসা পূজো।
      পরিঃ নবীন মানুয়া দক্ষিণ পাড়া মনসা পূজা কমিটি।      
      স্থানঃ নবীনমানুয়া দক্ষিণ পাড়া ( আমদহ), পশ্চিম মেদিনীপুর।


৩।  সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী লক্ষ্মী পূজো :

ক)  সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো।
      পরিঃ Brothers Association ।        
      স্থানঃ সীতাপুর মাজী পাড়া ।

খ)   সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী লক্ষ্মী পূজো।
       পরিঃ বিবেকানন্দ স্পোটিং ইউনিয়ন। 
       স্থানঃ সীতাপুর লক্ষ্মীতলা, পশ্চিম মেদিনীপুর।

গ)  সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী লক্ষ্মী পুজো।
      পরিঃ নবীনমানুয়া উত্তরপাড়া ।
       স্থানঃ নবীনমানুয়া হাট।


৪। সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী  শ্যামা পূজো :
  
ক) সীতাপুর-নবীনমানুয়া সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী শ্যামা পূজো।
     পরিচালনায় - মাতৃ সংঘ।
      স্থানঃ সীতাপুর কালীতলা,পশ্চিম মেদিনীপুর।

খ)  সীতাপুর-নবীনমানুয়া সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী শ্যামা পূজো।
      পরিচালনায় - মিতালী সংঘ।
       স্থানঃ সীতাপুর রাখাল মাড়োতলা।

গ)  শ্রী শ্রী সার্ব্বোজনীন শ্যামা পূজো।
      পরিচালনায়ঃ- শিবশক্তি সংঘ ।              
      স্থানঃ সীতাপুর রামকৃষ্ণ স্পোটিং এন্ড কালচ্যারাল ক্লাব ময়দান, সীতাপুর , পশ্চিম মেদিনীপুর।

ঘ)  শ্রী শ্রী কালীমাতার পুজো
     পরিঃ নবীনমানুয়া তরুণ সংঘ।
      স্থানঃ নবীনমানুয়া প্যোড়া পাড়া।


৫। সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী শিবদূর্গা পূজো :

     সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী শিবদূর্গা পূজো।
     পরিঃ মহাপ্রভু মিলন সংঘ।
     স্থানঃ সীতাপুর(পূর্ব পাড়া), পশ্চিম মেদিনীপুর।


৬।  শ্রী শ্রী সার্ব্বজনীন লক্ষী নারায়ণ পূজো :
       
ক)  শ্রী শ্রী সার্ব্বজনীন লক্ষী নারায়ণ পূজো ও দোল উৎসব।
      পরিঃ ইয়ং স্টার ক্লাব।
      স্থানঃ সীতাপুর ( দক্ষিন পাড়া), পশ্চিম মেদিনীপুর।

খ)  শ্রী শ্রী সার্ব্বজনীন লক্ষীনারয়ণ পূজো।
      পরিচালনায়ঃ সীতাপুর নবীনমানুয়া নেতাজী তরুণ সংঘ।
      স্থানঃ সীতাপুর হরিতলা, সীতাপুর , পশ্চিম মেদিনীপুর। 
  

৭।  শ্রী শ্রী সার্ব্বজনীন অন্নপূর্ণা পূজো :

      শ্রী শ্রী সার্ব্বজনীন অন্নপূর্ণা পূজো।
      পরিচালনায়ঃ নবজাগরণ ক্লাব।
      স্থানঃ সীতাপুর (শিবতলা),পশ্চিম মেদিনীপুর।


৮।  শ্রী শ্রী সার্ব্বজনীন সরস্বতী পূজো :
         
       গ্রামের বিভিন্ন ক্লাবে ও প্রত্যেক পাড়ায় পাড়ায় হয়ে থাকে এই পূজো।


৯।  সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী সন্তোষী পূজো :

     সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী সন্তোষী পূজো।
     পরিচালনায়ঃ সীতাপুর সবুজ সংঘ(আমদহ)।
     স্থানঃ সীতাপুর,দাসপুর,পশ্চিম মেদিনীপুর।


১০।   সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী শ্মশানকালী পূজো :

ক)  শ্রী শ্রী শ্মশানকালী পূজা ও বার্ষিক অনুষ্ঠান।
      পরিচালনায়ঃ নবীমমানুয়া ফাইভ স্টার ক্লাব।
      স্থানঃ নবীনমানুয়া( জোড়া সাঁকো ), সীতাপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর।

খ)  শ্রী শ্রী শশ্মান কালীমাতার পূজো।
      পরিঃ রবীন্দ্রনাথ স্পোটিং ক্লাব।
      স্থানঃ নবীনমানুয়া, সীতাপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর।

১১।   সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী গণেশ পূজো :

         সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী গণেশ পূজো।
         পরিচালনায়ঃ আমার কজন।
         স্থানঃ সীতাপুর ( বুড়াই পাড়া ), পশ্চিম মেদিনীপুর।


১২।  সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী ভীম পূজো :

         সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী ভীম পূজো।
         পরিচালনায়ঃ নবীনমানুয়া ভীমতলা বাজার কমিটি।
         স্থানঃ নবীনমানুয়া ভীমতলা(নবীনমানুয়া ঈশ্বর চন্দ্র হাই স্কুলের নিকট)।

এছাড়াও সমস্ত শীতলামাতার মন্দিরে পূজো, শিবের মাথাই জল ঢালা, বিশ্বকর্মা পূজো ও মেলা ইত্যাদি অনেক পূজো হয়ে থাকে। প্রায় সমস্ত ধরনের পূজো সীতাপুর ও নবীনমানুয়াতে হয়ে থাকে।

Friday, September 21, 2018

,

সাপকে গলায় জড়িয়ে জলে ডুবে মনসা মাতার ঘট ডুবানো হয়


পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সীতাপুর ও নবীনমানুয়া গ্রামের পূজো গুলোর  মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় পূজো হল মনসামাতার পূজো। আর এই মনসা পূজা মানেই সাপের খেলা। এই সাপের খেলা দেখার জন্য জনগণের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

মনসামাতার পূজো দুটি হয়, একটি সীতাপুর মনসাতলায় এবং অপরটি নবীনমানুয়া আমদহতে। প্রায় ১০ বছর আগে পূজোর সময় বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে চাল ও চাঁদা আদায় করাহত সাপের খেলা দেখিয়ে। দুই মনসাতলার কমিটিতেই সাপের খেলা হত। গ্রামের মধ্যে যেকোনো স্থানে সাপ বেড়ালে, তা ধরে সাপের বিড়িতে করে মন্দিরের মধ্যে রাখা হত। কিছু দিন অন্তর সাপের বিষ তুলে ফেলা হত। এই বিষ তুলা সাপ নিয়ে সকালে ও বিকালে সীতাপুর মানুয়া সহ পার্শ্ববর্তী স্থানে পূজোর জন্য চাঁদা তোলা হত। পূজোর সময়ও সাপের খেলা দেখানো হত।

snake


সাপের খেলা দেখানো মানে জীবন নিয়ে খেলা দেখানো। এক দিন একটি বড়ো দুর্ঘটনা ঘটে যায়। এই দুর্ঘটনার পর থেকে নবীনমানুয়া মনসামাতার মন্দিরে সাপের খেলা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সীতাপুর মনসামাতার মন্দিরেও সাপের খেলা দেখানো কমিয়ে দেওয়া হয়।



সীতাপুর মনসামাতার মন্দিরে পূজোর সময় শুধুমাত্র সাপের খেলা দেখানো হয়। এখনও এই সাপের খেলা দেখার জন্য জনগণের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
মনসামাতার ঘট ডুবানোর দিন রাত্রি ১১টায় শুরু হয় সাপের খেলা। বিভিন্ন সাপের খেলা দেখানো হয় যেগুলো পূজোর আগেই ধরে রাখা হয়। ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা ধরে এই সাপের খেলা হয়। এরপর ঐ সাপ গুলোকে ধরে গলায় জড়িয়ে রাখে কমিটির সদস্য বৃন্দ। এরপর পুরোহিত মন্ত্র পড়ে ঘটকে জলে ডুবালে সকলে সাপকে গলায় জড়িয়ে জলে ডুবে। এরপর মন্দিরে সাপের বাক্সে সাপগুলোকে রেখে দেওয়া হয়। পরেরদিন সন্ধ্যায় সাপের খেলা দেখানো হয়। অনেক বছর অনান্য ব্যক্তিদের দ্বারা সাপের বিভিন্ন ভয়ঙ্কর খেলা দেখানো হয়েছে। পূজো শেষ হয়ে গেলে এই সাপগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।



বর্তমানে এই সাপের খেলা দেখানো কম করে দেওয়া হয়েছে। আগে মানুষ সাপে কামড়ালে গুনিনের কাছে যেত। কিন্তু বর্তমানে মানুষ শিক্ষিত হয়েছে তাই সাপে কামড়ালে সর্বপ্রথম হাসপাতালে চলে যায়। অনেকেই এখনো প্রথমে হাসপাতালে না গিয়ে গুনিনদের কাছে যায় এবং পরে হাসপাতালে যায়।  তবে আপনাদের সাথে এমন ঘটনা ঘটলে আগে হাসপাতালে যাবেন।

ধর্মীয় কিছু রীতিমতো এই সাপের খেলা দেখানো হয়। এই খেলা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেখনো হয়। তাই কেউ বাড়িতে এমন কিছু করার চেষ্টা করবেন না।

Sunday, August 19, 2018

,


 ভাদ্র মাসে বাঙালির রীতি 



বাঙালি মানে কব্জি ডুবিয়ে খাওয়া। বাঙালি অথচ খেতে ভালোবাসে না- এটা হতেই পারে না। সারা বছর নানান খাওয়ার মধ্যে ভাদ্র মাসে বাঙালি অন্য স্বাদ অনুভব করে। ভাদ্র মাসের প্রথম রবিবার বাঙালিদের কাছে উৎসবের মতো পালান করে।


ওল,মাছ ভাত
সীতাপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর


 এই উৎসব  হল খাবারের উৎসব। ভাদ্র মাসের প্রথম রবিবার ভাতের সাথে কাঁচা লঙ্কা,লেবু, ঘি, ওল,তেঁতুলের টক,নোনা ঘুসো,সরষে ইলিশ,শাক ভাজা খেয়ে, পালিত হয় বাঙালির রীতি। 



ওল

সকালে ঘুম থেকে ওঠে বাজার থেকে ইলিশ ও নোনা ঘুসো মাছ  ও ওল আনা হয়। দুপুরে এই খাবার খেয়ে বাঙালিরা তৃপ্তি অনুভব করে।

Featured Post

শ্রী শ্রী সর্বজনীন শ্মশানকালী পূজা ও বার্ষিক অনুষ্ঠান ২০১৯ ** নবীনমানুয়া( জোড়া সাঁকো )

শ্রী শ্রী সর্বজনীন শ্মশানকালী পূজা ও বার্ষিক অনুষ্ঠান ২০১৯ পরিচালনায়ঃ নবীমমানুয়া ফাইভ স্টার ক্লাব। স্থাপিতঃ ১৯৯৮ রেজিঃ নং- SL/...