Tuesday, February 5, 2019

,

শ্রী শ্রী সর্ব্বজনীন সরস্বতী পূজা

ও

বাৎসরিক অনুষ্ঠান ২০১৯


পরিচালনায়: নবীন মানুয়া নিমতলা ইয়ং স্টার ক্লাব

স্থান: ক্লাব প্রাঙ্গণ, সীতাপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর

Saraswati Devi


প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য নিচে দেওয়া রয়েছে।

প্রতিযোগিতার অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ডাউনলোড করুন -

Button


:: অনুষ্ঠান সূচী ::

২৫শে মাঘ ১৪২৫(ইং ৯ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯ ) শনিবার:
সকাল ১০টায় : শোভাযাত্রা সহকারে প্রতিমা আনয়ণ।

২৬শে মাঘ ১৪২৫(ইং ১০ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯) রবিবার:
সকাল ৮টায়: মায়ের ঘটস্থাপন, পূজারম্ভ ও পুস্পাঞ্জলি।
সন্ধ্যা ৭টায়: মায়ের আরতি ও ক্ষীর প্রসাদ বিতরণ।

২৭শে মাঘ ১৪২৫(ইং ১১ফেব্রুয়ারী ২০১৯) সোমবার:
সন্ধ্যা ৭ টায়: মায়ের আরতি ও লুচি ভোগ বিতরণ।

২৮শে মাঘ ১৪২৫(ইং ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯) মঙ্গলবার:
সকাল ১১টায়: মায়ের ভোগ নিবেদন।

৮ই ফাল্গুন ১৪২৫(ইং ২১শে ফেব্রুয়ারী ২০১৯) বৃহস্পতিবার:
সকাল ৮টায় : অংকন প্রতিযোগিতা।
'ক' বিভাগ , বিষয়- নির্মল বাংলা/স্বচ্ছ ভারত(ষষ্ঠ শ্রেণীর পর্যন্ত)।
'খ' বিভাগ, বিষয়- একটি মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য (সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত)।
উভয় ক্ষেত্রে কেবলমাত্র কাগজ সরবরাহ করা হবে।

সকাল ৯টায়: মেহেন্দি আঁকা প্রতিযোগিতা।
নিজে নিজের হাতে বা অন্য কারো হাতে আঁকতে হবে।
হাতে আগে থেকে কোনো ড্রয়িং করে রাখা যাবে না বা কোন রকম ডাইস ব্যবহার করা যাবে না।
সমস্ত সরঞ্জাম নিজেকে নিয়ে আসতে হবে।

সকাল ১০টায় : কনে সাজানো প্রতিযোগিতা।
একটি মেয়েকে বিয়ের সাজে সাজাতে হবে।
সমস্ত সরঞ্জাম নিজেকে নিয়ে আসতে হবে। প্রতিযোগিতা শুরু আগে কেবলমাত্র শাড়ি পড়ানোর সুযোগ দেওয়া হবে। বাকি সমস্ত মেকআপ প্রতিযোগিতার মধ্যেই করতে হবে।

বিকেল ৩টায়: স্থানীয় অনান্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
সন্ধ্যা ৭টায়: স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে নৃত্য ও সংগীতানুষ্ঠান।
রাত্রি ৯টায়: নারায়ণ সেবা।



৯ই ফাল্গুন ১৪২৫(ইং ২২শে ফেব্রুয়ারী ২০১৯) শুক্রবার:
সকাল ১০টায়: স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির ও বিনা ব্যায়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
উদ্বোধক- মাননীয়া মমতা ভূঞ্যা -বিধায়ক, পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

বিকেল ৩টায়: স্থানীয় অনান্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
সন্ধ্যা ৭টায়: স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে সংগীত পরিবেশন।
রাত্রি ৮টায়: স্থানীয় শিশু শিল্পীদের নিয়ে উপস্থিত হবে গীতিনাট্য" ভূষন্ডীর মাঠ", পরিবেশনায়: গজগামিনী নৃত্য ও নাট্য সংস্থা।
রাত্রি ৯টায়: মায়ের ভোগ বিতরণ।

১০ই ফাল্গুন ১৪২৫(ইং ২৩শে ফেব্রুয়ারী ২০১৯) শনিবার:
দুপুর ২টায়: সংগীত প্রতিযোগিতা।
'ক' বিভাগ - যে কোন রবীন্দ্র সংগীত ও নজরুলগীতি (ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত)
'খ' বিভাগ- যে কোন রবীন্দ্র সংগীত ও নজরুলগীতি অথবা আধুনিক বাংলা গান (সপ্তম-দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত )।
বিকেল ৪টায়: স্থানীয় অনান্য ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
বিকেল ৫টায়: দাদাগিরি অনুকরণে কুইজ প্রতিযোগিতা"বুদ্ধিযুদ্ধ"(ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত), টিমে দুজন করে প্রতিযোগী থাকতে হবে।
সন্ধ্যা ৭টায়: "দিদি নং ১" এর অনুকরণে "সেরা শ্রীমতী", টিমে দুই জন মহিলা থাকতে হবে।
রাত্রি ৮টায়: জাপানী আলোক সহযোগে ৩:৩০ মিনিট ব্যাপী ম্যাজিক শো ও মন মাতানো নৃত্যানুষ্ঠান।
পরিবেশনায়: ইন্দ্রজাল ও ড্রীমক্যুইন সোস্যাল ড্যান্স ট্রুপ(জাদুকর- এস. কুমার)।
রাত্রি ৯টায় : মায়ের ভোগ বিতরণ।

১১ই ফাল্গুন ১৪২৫(ইং ২৪শে ফেব্রুয়ারী ২০১৯) রবিবার:
কাল ৯টায়: আবৃত্তি প্রতিযোগিতা।
'ক' বিভাগ, বিষয়- যে কোন কবিতা(ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত)
'খ' বিভাগ, বিষয়- যে কোন কবিতা ( সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত)।
উভয় ক্ষেত্রে প্রতিযোগীদের কবিতার অনুলিপি সঙ্গে আনতে হইবে।
সকাল ১১টায়: যেমন খুশি সাজো প্রতিযোগিতা (সর্বসাধারণের জন্য)।
দুপুর ২টায়: নৃত্য প্রতিযোগিতা।
'ক' বিভাগ, বিষয়- যে কোন রবীন্দ্রনৃত্য(ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত)
'খ' বিভাগ, বিষয়- যে কোন রবীন্দ্রনৃত্য বা রুচিশীল নৃত্য (সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত)।
উভয় ক্ষেত্রে প্রতিযোগীদের গানের সিডি বা মেমোরি কার্ড অবশ্যই সঙ্গে আনতে হইবে।
বিকেল ৫টায়: "দাদাগিরি" অনুকরণে কুইজ প্রতিযোগিতা 'বুদ্ধিযুদ্ধ' ,(সর্বসাধারণের জন্য)।
সন্ধ্যা ৭:৩০টায়: পুরস্কার বিতরণী সভা।
রাত্রি ৮টায়: ডবল স্টেজে, জাপানী আলোয়, ডিজিটাল সাউন্ডে ৩:৩০মিনিট ব্যাপী গানের জমজমাট নৃত্য ও সংঙ্গীতানুষ্ঠান। পরিবেশনায়: 'স্বপ্নতরী ড্যান্স ট্রুপ'।
রাত্রি ৯টায়: মায়ের ভোগ বিতরণ।

১২ই ফাল্গুন ১৪২৫( ইং ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০১৯) সোমবার:
বিকেল ৪টায়: । প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রা।
রাত্রি ১০টায় : মায়ের কনকাঞ্জলি।
রাত্রি ১১টায় : বাদ্যি- বাজনা ও আতসবাজি সহকারে প্রতিমা নিরঞ্জন।

সমস্ত প্রতিযোগিতার প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থানাধীকারীদের আকর্ষনীয় পুরস্কার ও সন্মানে ভূষিত করা হবে।
যেমন খুশি সাজো ও ক্যুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অসফল প্রতিযোগীদের জন্য রয়েছে স্বান্তনা পুরস্কার।



:: প্রতিযোগিতার বিবরণ ::

প্রতিযোগিতার  নাম গুলো ওপরে অনুষ্ঠান সূচীর মধ্যে দেওয়া রয়েছে।

প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী :

  1. প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য সমস্ত প্রতিযোগীকে যথাযথ ভাবে পূরণ করা আবেদনপত্র আগামী ১৯/০২/২০১৯ তারিখের মধ্যে অবশ্যই জমা দিতে হইবে।
  2. প্রয়োজনে কোন প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীকে অডিশন নেওয়া হতে পারে সেক্ষেত্রে অডিশনের তারিখ ও সময় যথাসময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।
  3. সংগীত প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে প্রতিযোগীকে তবলা বাদক সঙ্গে আনিতে হইবে অনথায় কতৃপক্ষের ব্যবস্থা মানিয়ে লইতে হইবে।
  4. সমস্ত প্রতিযোগীকে নির্দিষ্ট প্রতিযোগিতার ৩০মিনিট পূর্বেই উপস্থিত থাকতে হবে।
  5. সমস্ত প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে বিচারকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া মানিয়া লইতে হইবে।
  6. 'ক' বিভাগ ও 'খ' বিভাগ -এর প্রতিযোগীকে বয়সের প্রমাণপত্র আনিতে হইবে।
  7. ক্যুইজ এবং সেরা শ্রীমতি প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে দুটি পৃথক ফর্ম পূরণ করতে হবে। এবং ফর্ম দুটি একসাথে জুড়ে দিতে হবে।
  8. স্থানীয় প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে খেলার নামগুলি ঐ দিনই জমা করা হবে এবং খেলা শুরুর কিছুক্ষণ আগে নেওয়া হবে।
  9. হোয়াটসঅ্যাপ নাম জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে ফর্মের বিষয়গুলো যথাযথভাবে উল্লেখ করুণ। হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার: ৭৩৬৩৮৮৩৩১১ / ৯০৮৩১৬৪৯৩৪
  10. অন্যান্য নিয়মাবলী জানতে ফোন করুন এই মোবাইল নাম্বারে- ৯৭৩২৯৪৬৮৬৫

প্রতিযোগিতার অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ডাউনলোড করুন -





আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার স্থান:
  1. সোনার বাংলা- সীতাপুর বাজারপাড়া
  2. রাধেশ্যম খাঁড়ার সাইকেল দোকান - নবীন মানুয়া হাট
  3. সমরদার টিউশান- সীতাপুর লক্ষীতলা
  4. দাস অটো (রমেশ দাসের মোটর সাইকেল গ্যারেজে)- কামারঘাট, পলাশপাই।
  5. পাওয়ার হাউস- প্রদ্যুৎ সাঁতরা, লক্ষীকুন্ডু।
  6. ভৌমিক ইলেকট্রনিক্স- অনুকুল ভৌমিক, সীতাপুর কালিতলা।

সমস্ত প্রতিযোগিতার প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থানাধীকারীদের আকর্ষনীয় পুরস্কার ও সন্মানে ভূষিত করা হবে।
যেমন খুশি সাজো ও ক্যুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অসফল প্রতিযোগীদের জন্য রয়েছে স্বান্তনা পুরস্কার।

Monday, January 14, 2019

,

মকর সংক্রান্তি বা পৌষ সংক্রান্তি


পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি হল বাংলার সংস্কৃতির উৎসব। পৌষ মাসের সংক্রান্তি বা শেষ দিন এই উৎসব পালিত হয়। এই উৎসব মূলত ফসল তোলার উৎসব। এই দিনে বাঙালিরা উৎসবে মেতে ওঠে।
Makar Sankranti


সীতাপুর গ্রামে ধান কাটা ও ফসল বাড়িতে তোলার অসাধারণ ভিডিও দেখুন ->


সীতাপুর ও নবীনমানুয়া
সীতাপুর নবীনমানুয়া সহ পার্শ্ববর্তী গ্রামেও এই উৎসব পালিত হয়। নতুন ধান মাঠ থেকে বাড়িতে তোলার আনন্দে মেতে ওঠে গ্রামবাসীরা। অগ্রহায়ণ মাস থেকে গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে প্রত্যেক বৃহস্পতিবার লক্ষী মাতার পূজো করা হয় এবং এই পৌষ সংক্রান্তির দিন এই পূজোর সমাপ্তি ঘটে। আবার অনেকদের বাড়িতে সারা বছর বৃহস্পতিবার পূজো করে থাকে। এই পৌষ সংক্রান্তির দিনে গ্রামবাসীরা যে ভাবে কাটায় তা নিচে বর্ননা করা হল :

১| সকালে ঘুম থেকে উঠেই মন্দির ধুয়া বা লাতা দেওয়া হয়।

২| বাড়ির মহিলারা চাল বেটে মন্দির সহ বাড়ির বিভিন্ন স্থানে আলপনা এঁকে সাজিয়ে তোলে।
Makar Sankranti
"আলপনা"


৩| এর পর বাড়ির ছোটো ছোটো ভাই বোন  বাটি, পিতলের গামলা ও ব্যাগের মধ্যে  আতপ চাল, তিল, শাঁখ আলু, আদা, ও বিভিন্ন ফল নিয়ে নিজের গ্রামের ও পাশের গ্রামের মন্দিরে যেখানে পূজো হয় সেইখানে মকর দিতে যায়।
Makar Sankranti
"মকর"


৪| অনেক মন্দির ও বাড়িতে অন্ন প্রসাদ বিতরণ হয়।

৫| গ্রামের সকলে দল বেঁধে মকর দিতে যাওয়া, ঘোরাঘুরি করা, খাওয়া দাওয়া করে।

৬| অনেক ছেলে মেয়েরা দুপুরে মাঠে ঘুড়ি উড়ানোতে ব্যাস্ত থাকে।

৭| দুপুরের পর বাড়িতে মকর তৈরি করা হয়।

৮| আউনি বাউনি তৈরি করা হয়। দু-তিনটি খড় একসঙ্গে লম্বা করে পাকিয়ে তার সঙ্গে সরষে-ফুল, আমপাতা ইত্যাদি গেঁথে 'আউনি বাউনি' তৈরি করা।
Makar Sankranti
"আউনি বাউনি"


৯| দুপুরে পর বাড়িতে বাড়িতে অন্তিম পূজো শুরু হয়।
Makar Sankranti


১০| তারপর আউনি বাউনি গুলো খামারে, ধানের গোলাতে, রান্না ঘর ও অন্যান্য স্থানে দেওয়া হয়।

১১| সন্ধ্যায় শুরু হয় পিঠে পুলি বানানো। নানান ধরনের পিঠে বানানো হয় এবং তা দুধ ও খেজুর গুড়ের সঙ্গে খাওয়া হয়।
Pithe Puli
"পিঠে পুলি"

১২| পরের দিন পালিত হয় "খলাবিশ্রাম" ।



"আবার আসিব ফিরে " - সীতাপুর গ্রামের এক অসাধারণ ভিডিও দেখুন ->




Saturday, December 22, 2018

,

বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক উৎসব ২০১৮
পরিচালনায়: "সৃষ্টি"
রেজিষ্ট্রেশন- S/2L/26640
(ত্রয়োদশ তম বর্ষ)
নবীনমানুয়া : : সীতাপুর : : পশ্চিম মেদিনীপুর
স্থান: নবীনমানুয়া ঈশ্বরচন্দ্র হাই স্কুল ময়দান
তারিখ: ২৮শে ডিসেম্বর হইতে ৩১শে ডিসেম্বর


Sristi


* * * * :: অনুষ্ঠান সূচী :: * * * *

 ২৮শে ডিসেম্বর ২০১৮ শুক্রবার: 

সকাল ৭টায়: 'সম্প্রীতি দৌড়'। 

দুপুর ১১টায় : সেমিনার আমন্ত্রণ মূলক বিষয়- " হাতে কলমে বিজ্ঞান"
উপস্থাপনায়- অনুরণন সায়েন্স সোসাইটি কোলকাতা শ্রেয়ম জানা ও শ্রী বিনয় দাস। এবং 
১৫টি বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে হাতে হাতে দূরবীন তৈরীর কর্মশালা। 
প্রশিক্ষক- ড. রমেন্দ্র লাল মুখার্জী, শৈবাল মিত্র ও শান্তনু বিদ্। 
কর্মশালা শেষে ১০টি বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে একটি করে দূরবীন তুলে দেওয়া হবে।

সন্ধ্যা ৫টায় : উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সংবর্ধনা সভা।
উদ্বোধক- প্রফেসর ড. সন্দীপ কুমার চক্রবর্তী- ডিরেক্টর, ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স, কলকাতা। 
এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন জগতের দিকপাল ব্যক্তিবর্গ।

সন্ধ্যা ৫.৩০টায় : অজানা জ্ঞানের সন্ধানে " স্লাইড শো", বিষয় - মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য।
উপস্থাপক- ড. নরেন্দ্র নাথ পাত্র- আই.আই.এস.সি, বেঙ্গালুরু।

সন্ধ্যা ৬টায়: জি বাংলার এ্যাট্রাকসন ড্যান্সট্রুপ সহযোগে নৃত্য ও সঙ্গীতানুষ্ঠান।
পরিবেশনায়- ডায়মন্ড অর্কেষ্ট্রা।
উপস্থিত থাকবেন জি বাংলার জয়ী সিরিয়ালের অভিনেত্রী তোর্ষা।

 ২৯শে ডিসেম্বর ২০১৮ শনিবার: 

সন্ধ্যা ৫টায়: ভালো করে চেয়ে দেখ, দেখতো চিনতে পারো কিনার "স্লাইড শো"।
উপস্থাপক - প্রশান্ত নায়ক - সিনিয়র স্কলার আই.আই.এ, বেঙ্গালুরু।

সন্ধ্যা ৬টায়: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সাংস্কৃতিক দপ্তরের সহযোগীতায় নাটক " বিদ্যাসাগর"।

সন্ধ্যা ৬-১১টা: দূরবীনের সাহায্যে সরাসরি রাতের আকাশ পর্যবেক্ষণ।
পর্যবেক্ষক: বিশ্বজিৎ বসু - সেন্টার ফর ওবজারভেশনাল অ্যাষ্ট্রোনবি, কলকাতা।

সন্ধ্যা ৭টায় : নৃত্যানুষ্ঠান ও গান।
  উপস্থাপনায়- সুর স্বপ্ন মিউজিক্যাল ডান্স ট্রুপ।

৩০শে ডিসেম্বর ২০১৮ রবিবার : 

সকাল ১০টায়: রক্তদান শিবির।

দুপুর ৪টায় : ক্যুইজ প্রতিযোগিতা।

সন্ধ্যা ৬টায় : "দিদি নং ১ ", উপস্থাপনায় -ক্যুইজ জোন দাসপুর। 


রাত্রি ৮টায়: নৃত্যানুষ্ঠান ও নৃত্যনাট্য " ভানুসিংহের পদাবলী", উপস্থাপনায়- আঙ্গিক।


 ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৮ সোমবার : 

দুপুর ২টায় : জৈব কৃষি সেমিনার ।
উপস্থাপনায় - ড.কাঞ্চন ভৌমিক , ডঃ সুমিত রায় ও সুকেশ মন্ডল।

বিকাল ৪টায়: সমাপ্তি অনুষ্ঠান।

সন্ধ্যা ৫:৩০টায় : সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পরিবেশনায়- নবীনমানুয়া ঈশ্বরচন্দ্র হাই স্কুল।

সন্ধ্যা ৬.৩০ টায়: "স্লাইড শো", বিষয় - প্লাস্টিক দূষণ,
উপস্থাপনায়- সুব্রত বুড়াই - প্রধান শিক্ষক, গোমকপতা গুনধর বিদ্যামন্দির।

সন্ধ্যা ৭.৩০টায় : একক সংঙ্গীত - রিমি মাইতি।

রাত্রি ৮.৩০টায় : সাঁওতালী গান ও সাঁওতালী নৃত্য, রায়বেশে নৃত্য
উপস্থাপনায়- কাননডিহি উত্তরণ।


রাত ১২টায় : উৎসবের সর্বশেষ আকর্ষন মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও আতসবাজী প্রদর্শনীর মাধ্যমে "২০১৯ বর্ষবরণ"।




* * * * :: প্রতিযোগিতার দিনলিপি :: * * * *


 ২৮শে ডিসেম্বর ২০১৮ শুক্রবার: 

সকাল ১০টায় : সম্প্রীতি দৌড় (১২ বৎসরের উর্দ্ধে) কেবল মাত্র পুরুষ বিভাগ।
স্থান- পলাশপাই সিনেমা মোড় হইতে নবীনমানুয়া ঈশ্বরচন্দ্র হাই স্কুল পর্যন্ত।
বিকেল ৩টায় : বসে আঁকো প্রতিযোগিতা।
বিষয় :
  •  'ক-বিভাগ' - যে কোনো প্রাকৃতিক দৃশ্য।
  • 'খ-বিভাগ'- শব্দ দৃশনের ভয়াবহতা।


 ২৯শে ডিসেম্বর ২০১৮ শনিবার: 


সকাল ৯টায় : ছান্দিক আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, (সময় ৫মিনিট)।

  • ক-বিভাগ: বিষয় যে কোনো শিশু উপযোগী কবিতা।
  • খ- বিভাগ : পছন্দসই।

দুপুর ৩টায়: 'পায়ের তালে নৃত্য প্রতিযোগিতা।

  • ক-বিভাগ: যে কোন রুচিশীল নৃত্য।
  • খ-বিভাগ: যে কোন রবীন্দ্র নৃত্য।

৩০শে ডিসেম্বর ২০১৮ রবিবার : 

সকাল ১০টায় : 'সুরের খেয়ায় সঙ্গীত প্রতিযোগিতা'।
  • ক-বিভাগ: যে কোন রবীন্দ্র সঙ্গীত।
  • খ-বিভাগ: যে কোন নজরুল গীতি।
 ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৮ সোমবার : 

দুপুর ২টায় : এখন কুইজ



নাম জমা দিন এই হয়াটসঅ্যাপ নম্বরে - 8670156244



 নিয়মাবলী : 


  • 'ক'বিভাগ : ১০ বৎসর বয়স পর্যন্ত।
  • 'খ' বিভাগ: ১৬ বৎসর বয়স পর্যন্ত।
  • সম্প্রীতি দৌড়ে প্রতিযোগীদের। বয়স ১২বৎসরের উর্দ্ধে হতে হবে।
  • সমস্ত প্রতিযোগীকে নির্দিষ্ট সময়ের ৩০ মিঃ পূর্বে উপস্থিত থাকতে হবে।
  • ক্যুইজ বিভাগে দুজন করে দল হতে হবে।
  • বয়সের প্রমাণ পত্র সঙ্গে আনতে হবে।
  • বিচারকের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।


 খেয়াল রাখবেন :

  • বয়সের প্রমাণ অবশ্যই জমা দিতে হবে‌।
  • আবৃত্তি প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে কবিতার প্রতিলিপি অবশ্যই জমা দিতে হবে।
  • সঙ্গীত প্রতিযোগীকে তাহার বাদক সঙ্গে আনতে হবে।
  • অঙ্কন প্রতিযোগিতায় কেবলমাত্র কাগজ সরবরাহ করা হইবে
  • সম্প্রীতি দৌড়ের ক্ষেত্রে প্রত্যেক প্রতিযোগীকে পলাশপাই সিনেমা মোড় পৌঁছে যেতে হবে।
  • নৃত্য প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীকে তার গানের ক্যাসেট বা মেমরি কার্ড আনতে হবে।



নাম জমা দিন এই হয়াটসঅ্যাপ নম্বরে , স্বপন ভৌমিক- 8670156244


Monday, December 17, 2018

,

উত্তরণ স্বর্ণকাপ ২০১৯


কেবল গ্রাসাচ্ছাদনেই মানুষ বাঁচতে পারে না। তার সঙ্গে সে চায় আনন্দ।
আনন্দেই সকলের মুক্তি। অন্নবস্ত্র সংস্থানের জন্য জীবন আমারা যে কঠোর সংগ্রাম করি তা কেবলমাত্র আমাদের জৈবিক প্রকাশ। খেলা হল মানুষের সেই মানব পরিচয়ের সূষ্ঠ প্রকাশের আরেকটি অংশ।
তাই এই শীতের সমাগমে প্রকৃতির সাথে মনকে রাঙিয়ে উত্তরণ পৌষ পার্ব্বণ ও খলাবিশ্রাম উপলক্ষে আট দোলীয়  নক্ আউট প্লাস্টিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট উত্তরণ স্বর্ণকাপ ২০১৯ , দিবা ও রাত্রিতে আয়োজন করিয়াছে।
Cricket

 শর্তাবলী : 

  • এন্ট্রিফি ২০০০ টাকা।
  • গ্যারান্টি মানি ১০০০ টাকা, বাধ্যতামূলক।
  • খেলা শুরু হইবে ১২-১৩ই জানুয়ারী দুপুর ২টা ৩০মিঃ হইতে।
  • ৯জন প্লেয়ার অংশগ্রহণ করিতে পারিবে।
  • ০৮-১০ ওভারের খেলা হইবে, প্রয়োজনে অভার কমও হইতে পারে।
  • নির্দিষ্ট সময়ের ২০মিনিট আগে মাঠে প্লেয়ার লিস্ট জমা দিতে হইবে।
  • ৩৫ গ্রাম প্লাস্টিক সাদা বল ১টি এবং এন্ট্রিফি জমা দিতে হইবে। 

 পুরস্কার : 

  • ১. বিজয়ী ট্রফি এবং ৩ গ্রাম সোনা অথবা ১১০০০ টাকা দেওয়া হইবে।
  • ২. বিজীত ট্রফি এবং ২ গ্রাম সোনা অথবা ৭০০০ টাকা দেওয়া হইবে।
  • ৩. প্রতি ম্যাচে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ রিষ্ট ওয়াচ ও ফাইনালে মোবাইল দেওয়া হইবে।
  • ৪. ম্যান অফ দ্যা সিরিজ মিস্কচার মেসিন দেওয়া হইবে।
  • ৫. বেষ্ট ফিল্ডারকে পুরস্কার দেওয়া হইবে।
  • ৬. বেষ্ট বোলারকে পুরষ্কার দেওয়া হইবে।
  • ৭. সর্বাধিক রান সংগ্রাহককে পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ৮. সর্বাধিক চার সংগ্রাহককে পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ৯. সর্বাধিক ছয় সংগ্রাহককে পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ১০. সর্বাধিক উইকেট সংগ্রাহককে পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ১১. প্রতি ম্যাচে ট্রস উইনারকে পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ১২. কোনো প্লেয়ার হাফ-সেঞ্চুরি করতে পারলে বিশেষ পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ১৩. কোনো প্লেয়ার সেঞ্চুরি করতে পারলে বিশেষ পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ১৪. কোনো প্লেয়ার ছয় বলে ছটা ছয় মারতে পারলে বিশেষ পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ১৫. কোনো প্লেয়ার ছয় বলে ছটা চার মারতে পারলে বিশেষ পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ১৬. কোনো প্লেয়ার একটি ইনিংসে ছটি উইকেট নিতে পারলে বিশেষ পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ১৭. কোনো প্লেয়ার একটি ইনিংসে ছটি ক্যাচ নিতে পারলে বিশেষ পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ১৮. কোনো প্লেয়ার একটি ইনিংসে হ্যাট্রিক ছয় মারতে পারলে বিশেষ পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ১৯. কোনো প্লেয়ার একটি ইনিংসে হ্যাট্রিক চার মারতে পারলে বিশেষ পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ২০. কোনো প্লেয়ার ডাইরেক্ট হিটে রান আউট করতে পারলে বিশেষ পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ২১. ফাইনালে যে প্লেয়ার যত রান সংগ্রহ করতে পারবে তাকে তত টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ২২. কোনো দর্শক মাঠের বাইরে ক্যাচ ধরতে পারলে ৩০ টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করা হইবে।
  • ২৩. কোনো মহিলা দর্শক মাঠের বাইরে ক্যাচ ধরতে পারলে ১৫০ টাকা দিয়ে পুরস্কৃত করা হইবে।

সমস্ত শর্তাবলী এবং খেলা চলাকালীন যে কোনো পরিস্থিতিতে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে মানিতে বাধ্য থাকিতে হইবে। এই শর্ত মেনেই ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অংশ গ্রহণ করতে হইবে।
 যোগাযোগ: ৯১৩৪৯১৪৩৭৬ 

Monday, November 19, 2018

,

ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত সতর্কতা


বর্তমানে গ্রামের প্রায় সকলের কাছেই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট এবং এ টি এম কার্ড রয়েছে। গ্রামের মানুষ দৈনন্দিন জীবনে ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত এমন কিছু করে থাকে যেগুলো করা একদমই উচিত নয় এবং এমন কিছু করা উচিত যেগুলো করে না। এর ফলাফল হিসাবে তাদের আর্থিক ক্ষতি হয়। আসুন জেনে নেই কিছু তথ্য, এই তথ্য গুলো ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্কের সতর্কতা সচেতনতা সপ্তাহ থেকে নাও হয়েছে।

অব্যশই এই তথ্য গুলো বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করে বন্ধুদের সতর্ক করুণ। এবং আপনার পরিবারের সকল সদস্যের বোঝান।


Banking




  কি করবেন :  

  • সবসময় আপনার পাশবই ও চেক সুরক্ষিত রাখুন।
  • আপনার অ্যাকাউন্টের লেনদেন জানতে এস এম এস অ্যালার্ট সুবিধা নিন।
  • তাৎক্ষণিক ভিত্তিতে আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্যাদি পেতে ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং (আই এন বি) ও মোবাইল ব্যাঙ্কিং সুবিধা নিন।
  • নিয়মিত পাশবুক আপডেশন/ এ টি এম মিনি স্টেটমেন্ট / ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং / মোবাইল ব্যাঙ্কিং মারফৎ আপনার অ্যাকাউন্টে সর্বদা লক্ষ্য রাখুন।
  • নির্দিষ্ট মেয়াদ অন্তর এ টি এম পিন ও আই এন বি পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন। সেটি লিখে রাখা / কোথাও লাগিয়ে রাখা / স্মার্টফোনে সংরক্ষণ করার বদলে মনে রাখুন।
  • আপনার এ টি এম/ ডেবিট কার্ড পাওয়া মাত্র তার সাক্ষর প্যানেলে সই করুন।
  • চেক্ / এ টি এম / আই এন বি মরফৎ অর্থপ্রদান করুন ও নগদে লেনদেন এড়িয়ে যান।
  • অচেনা ব্যাক্তির কাছ থেকে বেশি অঙ্কের টাকা নেবার আগে সেটির সাধারণ নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য খুঁটিয়ে দেখুন।
  • সন্দেহ জনক লেনদেন দেখলে তৎক্ষণাৎ তা শাখা প্রবন্ধকের কাছে জানান।
  • কোন জরূরি প্রয়োজনে ব্যাঙ্কের (স্টেট ব্যাঙ্ক) ২৪ ঘন্টার হেল্পলাইন নম্বর ১৮০০১১২২১১/ ০৮০-২৬৫৯৯৯৯০ তে যোগাযোগ করুন।



  কি করবেন না :  

  • কোনও ব্যক্তিকে আগাম সাক্ষর করা খালি চেক্ ইস্যু করবেন না।
  • অজানা ব্যাক্তি / অজানা সেলসম্যানকে চেক্ ইস্যু করবেন না।
  • চেক লেখার সময় অচেনা ব্যাক্তির পেন ব্যাবহার করবেন না।
  • যে কোনও ব্যক্তির কাছে এ টি এম পিন / আই এন বি পাসওয়ার্ড / ও.টি.পি প্রকাশ করবেন না। এমনকি ফোনে নিজেকে ব্যাঙ্ক আফিসার বা অন্য কিছু বলে পরিচয় দিচ্ছেন, তার কাছেও না। ব্যাঙ্ক এগুলি জানতে চাই না।
  • পুরস্কার জিতে নেওয়া বা লটারি পাওয়া বিষয়ে অজানা নম্বর থেকে এস এম এস পেলে সারা দেবেন না।
  • প্রকাশ্য স্থানে পাশবই/ চেকবই / এ টি এম কার্ড ফেলে রাখবেন না। এমনকি বাড়িতেও না।
  • পাশবই/ ফিক্সড্ ডিপোজিট রসিদ ইত্যাদিতে হাতে লেখা এন্ট্রি গ্রহণ করবেন না।
  • এ টি এম মেশিনের বাইরে কোনও যন্ত্র বা অতিরিক্ত কিছু ঝোলানো আছে কিনা, দেখে নিতে ভুলবেন না। এ টি এম মেশিন ঘেঁসে দাড়ান এবং পিন দেওয়ার সময় আপনার শরীর এবং হাত দিয়ে কিপ্যাড আড়াল করুন।
  • এ টি এম -এ আপনার লেনদেন স্লিপ ফেলে রাখবেন না, ফেলে দেওয়ার আগে কাগজটি ছিঁড়ে ফেলুন।
  • আপনি এ টি এম ব্যবহার করার সময় এ টি এম -এর নির্দিষ্ট জায়গায় কোনও ব্যক্তিকে আসতে দেবেন না।

এ টি এম কার্ড এর সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে এই লিঙ্কে - ক্লিক করুন


Tuesday, November 13, 2018

,

বিনাব্যয়ে চক্ষুছানি পরীক্ষা শিবির

বিগত বছরের মতো এই বছর সীতাপুর নবীনমানুয়া মিলন সংঘ আয়োজন করেছে বিনাব্যয়ে চক্ষুছানি পরীক্ষা শিবির। তাই সীতাপুর, নবীনমানুয়া সহ পার্শ্ববর্তী সকল গ্রামবাসীদের জানাই সাদর আমন্ত্রণ। এই শিবির সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হল।

¤বিনাব্যয়ে চক্ষুছানি পরীক্ষা শিবির ¤
পরিচালনায় :- সীতাপুর নবীনমানুয়া মিলন সংঘ। 
তারিখ:- ১লা অগ্রহায়ন ১৪২৫ (ইং ১৮/১১/২০৮)রবিবার , সকাল ৯টা থেকে ১১টা।
স্থান :- সীতাপুর মনসাতলা। 
সহযোগিতায় : চৈতন্যপুর নেত্র নিরাময় নিকেতন। 

শিবিরের নিয়মাবলী নেচে দেওয়া হল-

Eye Care






¤ শিবিরের নিয়মাবলী:
  • শিবিরে ৫০ বছরের বেশি ও ১৫ বছরের নীচে রোগীদের দেখা হবে।
  • শিবিরে অপারেশন যোগ্য বিবেচিত হলে বিনাব্যায়ে চৈতন্যপুরে নিয়ে গিয়ে অপারেশনের ব্যবস্থা আছে। 
  • অপারেশনের ১ মাস পরে চেকআপ-এর ব্যবস্থা আছে।
  • চেকআপ-এর ১৫ দিন পর বিনা খরচে চশমার ব্যবস্থা আছে।
  • শিবিরে ১২ টার মধ্যে উপস্থিত হয়ে রেজিষ্ট্রেশন কাড নিতে হবে।
  • অন্যান্য রোগীদের জন্য শিবিরে নাহ্যমুল্যে ঔষধ ও চশমা পাওয়া যাবে। 
  • যোগাযোগ :- 9732904636 , অনান্য বিভিন্ন তথ্যের জন্য সীতাপুর নবীনমানুয়া মিলন সংঘে যোগাযোগ করুন।

Tuesday, November 6, 2018

,

শ্যামা পূজোর অনুষ্ঠান সূচী

আলোর উৎসব দীপাবলি। এই দীপাবলিতে সীতাপুর গ্রামবাসী মেতে উঠেন শ্যামা মায়ের পূজোয়।
সীতাপুরের  পূজো গুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় পূজো হল মাতৃ সংঘের শ্যামা পূজো। সীতাপুর কালীতলায় এই পূজো হয়ে থাকে। পূজোর দিন গুলো নানান অনুষ্ঠান, ছোটো ছোটো ভাই বোনদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ইত্যাদির মাধ্যমে আনন্দে ভরে তলে মাতৃ সংঘের সদস্য বৃন্দরা।

 সীতাপুর-নবীনমানুয়া সার্ব্বজনীন শ্রী শ্রী শ্যামা পূজো
পরিচালনায় - মাতৃ সংঘ।
স্থানঃ সীতাপুর কালীতলা,পশ্চিম মেদিনীপুর।


Kali Pujo






:: পূজার সময় নির্ঘণ্ট ও অনুষ্ঠান সূচী ::

১৯শে কার্ত্তিক ১৪২৫ ( ইং-০৬/১১/১৮) মঙ্গলবার:-
রাত্রিতে-ঢাক,বাদ্যযন্ত্র এবং আলোকসজ্জা সহকারে মায়ের মঙ্গলঘট স্থাপন ও পূজারম্ভ।


২০শে কার্ত্তিক ১৪২৫ ( ইং-০৭/১১/১৮)  বুধবার:-
দুপুরে-মায়ের নিত্যপূজা ও নির্মাল্য।
বিকেলে-  ক্রীড়া প্রোতিযোগিতা।

২১শে কার্ত্তিক ১৪২৫ ( ইং-০৮/১১/১৮)  বৃহস্পতিবার:-
দুপুরে-মায়ের নিত্যপূজা ও নির্মাল্য।
সন্ধ্যায়-সন্ধ্যারতি।
রাত্রি ৯টায় - কলিকাতার সুবিখ্যাত বিশ্বরূপ অপেরার কর্তৃক সামাজিক যাত্রাপালা -" সুখের সংসারে শয়তানের বাসা"।

২২শে কার্ত্তিক ১৪২৫ ( ইং-০৯/১১/১৮)  শুক্রবার:-
দুপুরে-মায়ের নিত্যপূজা ও নির্মাল্য।
সন্ধ্যায়-সন্ধ্যারতি।
রাত্রি ৮টায় - মহিলা শিল্পীদ্বারা গীতিনাট্যানুষ্ঠান "তাসের দেশ" ও "নৃত্যানুষ্ঠান"।

২৩শে কার্ত্তিক ১৪২৫ ( ইং-১০/১১/১৮)  শনিবার:-
দুপুরে-মায়ের নিত্যপূজা খিঁচুড়ি প্রসাদ-বসে খাওয়া(সবার নিমন্ত্রণ)।
রাত্রি ৯টায় - স্টার জলসা শিল্পী কর্ত্তৃক বাপন ড্যান্সট্রুপ ও জি বাংলা সীমারেখা সিরিয়াল খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী- "পলা"।

২৪শে কার্ত্তিক ১৪২৫ ( ইং-১১/১১/১৮)  রবিবার:-
দুপুরে-মায়ের নিত্যপূজা ও সন্ধ্যায়-সন্ধ্যারতি।
রাত্রি ৮ টায়- প্রসাদ বিতরণ ও বাদ্য-বাজনা, বাজি এবং আলোক সজ্জা সহকারে প্রতিমা নিরঞ্জন।

******সকলকে জাানাই শুভ দীপাবলি শুভেচ্ছা******


Featured Post

শ্রী শ্রী সর্বজনীন শ্মশানকালী পূজা ও বার্ষিক অনুষ্ঠান ২০১৯ ** নবীনমানুয়া( জোড়া সাঁকো )

শ্রী শ্রী সর্বজনীন শ্মশানকালী পূজা ও বার্ষিক অনুষ্ঠান ২০১৯ পরিচালনায়ঃ নবীমমানুয়া ফাইভ স্টার ক্লাব। স্থাপিতঃ ১৯৯৮ রেজিঃ নং- SL/...